২০১৪-তে তার পিঠ ভেঙে যাওয়ার পর আমরা কেঁদেছিলাম, মনে হয়েছিল, আমাদের হৃদয়েও কেউ চিরে দিয়েছে এক গভীর ক্ষত।
২০১৮-তে তার প্রতিটা হোঁচট আমাদের হতাশায় ডুবিয়েছে।
২০২২-এ যখন সে কাঁদছিল, আমাদের চোখও ভিজে গিয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম, এই বার হয়তো, এই বার সে সব যন্ত্রণা পেরিয়ে বিশ্বকাপ হাতে নেবে। কিন্তু না, নেইমারের গল্পটা বারবার অসম্পূর্ণই থেকে গেছে।
নেইমার শুধু একজন খেলোয়াড় নন, নেইমার আমাদের আবেগের নাম। তার প্রতিটি ড্রিবল, প্রতিটি গোল, প্রতিটি হাসি আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন। কিন্তু সেই হৃদয়েই যেন চিরস্থায়ী এক ক্ষত হয়ে রয়ে গেছে ,
যদি সে ফিট থাকত!
যদি চোট না আসত!
যদি ভাগ্য একটু সদয় হতো!
আমরা জানি না, ফুটবল ইতিহাস নেইমারকে কোথায় রাখবে। একজন সুপারস্টার হিসেবে? এক অপূর্ণ সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে? নাকি এক অনন্ত বেদনার নাম হিসেবে? কিন্তু আমরা জানি, নেইমারকে ভালোবাসার জন্য কোনো কারণ লাগে না। তার পায়ে বল থাকলেই আমাদের হৃদয় নেচে ওঠে। সে যখন কাঁদে, আমরা কাঁদি।
তবে কি এই গল্পের শেষটা এমনই হবে? এই কি তার ভাগ্যে লেখা?
না! আমরা চাই, শেষবারের মতো, আমরা সেই টগবগে নেইমারকে দেখতে চাই! যে নেইমার ভয় পায় না, যে নেইমার প্রতিপক্ষকে নাচিয়ে ছাড়ে, যে নেইমার আমাদের স্বপ্ন দেখায়। আমরা চাই, অবসরের আগে, মাত্র একবার
শুধু একবার, তার হাতে বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঠুক! যেন ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকে
নেইমারের গল্পটা অপূর্ণ রইল না।
শুভ জন্মদিন, নেইমার!
তুমি ফুটবলের সবচেয়ে সুন্দর অথচ সবচেয়ে কষ্টের কবিতা।
তুমি আনন্দ আর বেদনার একসাথে বয়ে চলা এক মহাকাব্য। কিন্তু আমরা এখনো অপেক্ষায় আছি
গল্পের শেষটা যেন ঠিক হয়, ইতিহাস যেন তোমাকে তোমার প্রাপ্য সম্মান দেয়!
